🟩 বই: ইয়েমেন ক্রাইসিস 🟩 বই: দ্য ওয়ার অন দি উইঘুরস 🟩 বই: দ্য চিফ উইটনেস 🟩 বই: কুর্দি ও কুর্দিস্তান




লেখক: স্টিফেন ডে ও নোয়েল ব্রিহোনি
অনুবাদ: মোস্তফা আল হোসাইন আকিল, ইরফান সাদিক, দ্বীন মোহাম্মদ শেখ
সম্পাদনা: রাকিবুল হাসান
🟩 বই: দ্য ওয়ার অন দি উইঘুরস : পূর্ব-তুর্কিস্তানে চীনের ঔপনিবেশিক আগ্রাসন এবং উইঘুর মুসলিমদের ওপর জাতিগত নিধনের নির্মম ইতিহাস
লেখক: শন রবার্টস
ভাষান্তর: আশফাক রেশাদ
সম্পাদনা: মোস্তফা আল হোসাইন আকিল
🟩 বই: দ্য চিফ উইটনেস: চীনের বন্দিশিবির থেকে পালিয়ে আসা এক তরুণীর রোমহর্ষক জবানবন্দি
লেখক : সায়রাগুল সাউতবেই | আলেক্সান্দ্রা ক্যাভেলিয়াস
অনুবাদ: শাহেদ হাসান
সম্পাদনা : মোস্তফা আল হোসাইন আকিল
🟩 বই: কুর্দি ও কুর্দিস্তান: এক ভাগ্যবিড়ম্বিত জাতিসত্তার উপাখ্যান
লেখক: চেঙ্গিজ গুনেস
ভাষান্তর : মুহাম্মাদ নাফিস নাওয়ার, সাজিদ হাসান
সম্পাদনা : মোস্তফা আল হোসাইন আকিল
২০১১ সাল। সুদূর উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ায় জ্বলে ওঠা আরব বসন্তের ছোঁয়া এসে লাগে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বদক্ষিণের দরিদ্র দেশ ইয়েমেনে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহের পদত্যাগের পর উত্থান ঘটে হুথি বিদ্রোহীদের, শুরু হয় এক রাজনৈতিক অস্থিরতা। শিয়া সম্প্রদায়ের একটি অংশ হিসাবে হুথিদের উত্থান সউদি আরবের জন্য হয়ে ওঠে অস্বস্তি ও ভয়ের কারণ। ফলে দ্রুতই ইয়েমেন পরিণত হয় সউদি-ইরান প্রক্সি যুদ্ধের কুরুক্ষেত্রে। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কৌশলগত রুট হিসাবে এই যুদ্ধ কেবল সউদি-ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। নাটকীয়ভাবে একেক করে এসে যুক্ত হয় জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, লোহিত সাগর তীরবর্তী আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো এবং হর্ন অব আফ্রিকার দেশসমূহ।
কিন্তু কোন অদৃশ্য শক্তি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সকল পক্ষকে ইয়েমেনে টেনে আনল? কাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকায় ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় ঘটেছিল দরিদ্র এই দেশে, যার বলি হয়েছে লক্ষাধিক মানুষ? অবশেষে এত মৃত্যু, ধ্বংস ও রক্তের বিনিময়ে কার কী অর্জন হলো বা খোয়া গেল? এই বই আপনাকে নিয়ে যাবে আন্তর্জাতিক রাজনীতির চূড়ান্ত জটিল, কুটিল ও ভয়ংকর এক গোলকধাঁধায়, যা বিশ্বরাজনীতি সম্পর্কে আপনার গতানুগতিক ধারণায় এক প্রবল ঝাঁকুনি তৈরি করবে।
পূর্ব-তুর্কিস্তানের ওপর সাম্রাজ্যবাদী চীনের ঔপনিবেশিক আগ্রাসনের সূচনা অষ্টাদশ শতক থেকেই। কিন্তু এই ভূমির অধিবাসী উইঘুর ও অন্যান্য মধ্য-এশীয় জাতিগোষ্ঠীকে দমনের ক্ষেত্রে চীন যেন ঠিক কায়দা করে উঠতে পারছিল না। আর কাকতালীয়ভাবে চীনকে এই সুযোগটি এনে দেয় আমেরিকা। ৯/১১-পরবর্তী আমেরিকা প্রণীত ওয়ার অন টেরর মডেল লুফে নেয় চীন এবং একটা গোটা জাতিসত্তাকে তথাকথিত সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে চীনের রাষ্ট্রযন্ত্র।
অবশ্য চীন অন্যদের মতো ‘মারমার কাটকাট’ পন্থা এড়িয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ও পদ্ধতিগত কায়দায় উইঘুর মুসলিমদের জাতিগত নিধনের প্রকল্প হাতে নেয়। সেইসব প্রকল্প কী এবং তা কতদূর অগ্রসর হয়েছে, ভবিষ্যতে আর কী কী হতে পারে তার বিস্তৃত বিবরণ উঠে এসেছে এই বইয়ে। লেখক চীনের সাথে পূর্ব-তুর্কিস্তানের দ্বন্দ্বের একেবারে সূচনাকাল থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত পুরো চিত্রটা স্পষ্ট করে তুলেছেন এবং বিশেষ করে ৯/১১-পরবর্তী সময়ে চীনের ধ্বংসাত্মক উইঘুর নীতির পেছনে আমেরিকার ওয়ার অন টেরর প্রজেক্টের যে অপরিসীম ভূমিকা, তা মোটেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি।
শন রবার্টস উইঘুরদের নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে গবেষণা করছেন এবং বহুবার তিনি পূর্ব-তুর্কিস্তান ভ্রমণ করেছেন। ফলে ভাগ্যাহত উইঘুর মুসলিমদের সম্পর্কে জানতে এই বইয়ের বিকল্প নেই বললে ভুল হবে না।
প্রতি রাতেই ক্রন্দনরত মেয়েরা আমার বিছানার পাশে জড়ো হতো। তাদের ঘনকালো চোখগুলো ছিল চওড়া। তাদের চুল ছেঁটে দেওয়া হয়েছিল। তারা কেঁদে কেঁদে অনুনয় করে বলত, ‘বাঁচান, প্লিজ, বাঁচান আমাদের!’
স্বৈরাচারী শাসনের সবচেয়ে মারাত্মক ভুক্তভোগী হয় নারী। অসহায়ত্ব ও লজ্জা নামক পিশাচের ভয় দেখিয়ে তারা আমাদের দমন করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তারা আমাদের ওপর যে ক্ষতের সৃষ্টি করেছে, সেজন্য আমাদের লজ্জিত হওয়া উচিত নয়। আমার দায়িত্ব এখন সেই সত্যকে উন্মোচন করা। তাই আমি নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আমি আজ নিথর, লাশের মতো প্রাণহীন।
বন্দিশিবিরের সেই জীবনের পর আমি মাঝে মাঝেই বিছানা থেকে উঠতে পারি না। সেখানে বরফশীতল কংক্রিটের মেঝেতে বহুদিন আমাকে ঘুমোতে হয়েছে। হাত-পা আর গিরার সেই অসহ্য যন্ত্রণা আমাকে আজও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। একসময়কার প্রাণবন্ত এক যুবতী এখন ৪৩ বছরের এক অসুস্থ, রুগ্ন মহিলা। কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর ঘুমে ডুব দিলেও দুঃস্বপ্ন এখনো আমাকে জাগিয়ে তোলে।
সেই উঁচু কাঁটাতারের বেড়ার পেছনে থাকা নারী, শিশু, পুরুষ, বৃদ্ধ—তাদের একমাত্র অপরাধ ছিল কাজাখ, উইঘুর বা পূর্ব-তুর্কিস্তানে মুসলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করা। ফাতিমা, হুসাইনের মতো মুসলিম নাম থাকাই তাদের জন্য কাল হয়েছে।
মনে আছে আয়লান কুর্দির কথা? ভূমধ্যসাগরের উপকূলে পড়ে থাকা লাল জামা পরা ছোট্ট শিশুটির নিথর মৃতদেহ গোটা বিশ্ববিবেককে তুমুলভাবে নাড়িয়ে তুলেছিল! সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্যটি আরব বসন্তে অস্থিতিশীল সিরিয়ার যুদ্ধ-বাস্তবতা ও মানবিক সংকটকে তুলে ধরার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী জাতিগোষ্ঠী কুর্দিদের ভাগ্যবিড়ম্বনার দৃশ্যমান প্রতীক হয়ে উঠেছিল।
মহাবীর সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি ও মহান সংস্কারক ইমাম ইবনে তাইমিয়ার মতো ব্যক্তিদের জন্ম দিয়েছে যে জাতি, কেন তারা আজ নিষ্ঠুর নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার? কুর্দিস্তান নামে স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিসত্ত্বেও কীভাবে তারা ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কে বিভক্ত হয়ে পড়ল? কেনইবা মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো কুর্দিদের ওপর বরাবরই খড়্গহস্ত? স্বপ্নের কুর্দিস্তান কি কখনো সফলতার মুখ দেখবে, না সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো স্বাধীনতার টোপ দেখিয়ে বারবার নিজেদের হীন স্বার্থে ব্যবহার করে যাবে কুর্দিদের? বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর ক্ষমতা বিস্তারের লড়াই ও নোংরা রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে বলি হতে থাকা কুর্দিদের জীবন-জগৎ ও লড়াই-সংগ্রামের অনবদ্য বিবরণ উঠে এসেছে এই বইয়ে।
ইয়েমেন ক্রাইসিস। আক্রান্ত মুসলিম ভূখণ্ড সিরিজ:০১,পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮৮।
দ্য ওয়ার অন দি উইঘুরস। আক্রান্ত মুসলিম ভূখণ্ড সিরিজ: ০২, পৃষ্ঠা: ১৮২।
দ্য চিফ উইটনেস। আক্রান্ত মুসলিম ভূখণ্ড সিরিজ: ০৩, পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯২।
কুর্দি ও কুর্দিস্তান। আক্রান্ত মুসলিম ভূখণ্ড সিরিজ:০৪, পৃষ্ঠা: ১৮৪
বইগুলো মুদ্রণে উন্নত মানের অফ হোয়াইট ক্রিম কালারের কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির বাঁধাইয়ের সাথে সাথে হার্ড বোর্ডের উপর জ্যাকেট কভার ব্যবহৃত হয়েছে।
কওমি মার্কেট, নিচ তলা ২১ নং শপ, ৬৫/১ প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।
01768864428
না, একটাকাও পেমেন্ট করতে হবে না। সরাসরি ডেলিভারি ম্যানের হাত থেকে বইটি সংগ্রহ করার পরই মূল্য পরিশোধ করবেন।
তবে অনুরোধ থাকবে নিশ্চিত হয়েই বইটি অর্ডার করবেন। অর্ডারের পর ডেলিভারি চলে গেলে ফিরিয়ে দিলে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।
ঢাকার ভেতরে হলে ১-২ দিন এবং ঢাকার বাইরে হলে ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে, যদি আকস্মিক কোনো সমস্যা না হয়।
হোম ডেলিভারি চার্জঃ ঢাকায় – ৫২৳
সারা বাংলাদেশে – ৮২৳